সিলেটের বিয়ানীবাজারে হাওরে চড়াতে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই খামারি আলাল উদ্দিনের প্রায় এক হাজার হাঁস মারা গেছে। হাঁসগুলোর মৃত্যু বিষক্রিয়ায় হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। এ ঘটনায় নিজের দুই ভাতিজার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন আলাল উদ্দিনের স্ত্রী।
গত ৬ অক্টোবর সকালে উপজেলার কুড়ারবাজার ইউনিয়নের উত্তর আকাখাজানা এলাকার হাওরে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উত্তর আকাখাজানা গ্রামের আলাল উদ্দিন করোনা মহামারির সময় হাঁস পালন শুরু করেন। পেশায় অটোরিকশাচালক হলেও হাঁস পালন করে তিনি পুরোদস্তুর খামারি হয়ে ওঠেন। গত দুই বছর ধরে তার খামার থেকে প্রায়ই হাঁস চুরি হচ্ছিল। এ ঘটনায় তিনি তার ভাই হাফিজ তাজ উদ্দিনের দুই ছেলে মিজান উদ্দিন ও রায়হান উদ্দিনের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
আলাল উদ্দিনের দাবি, জিডি করার পর থেকেই মিজান ও রায়হান তাকে ক্ষতি করার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। মঙ্গলবার সকালে হাঁসগুলো হাওরে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই সেগুলো মারা যেতে শুরু করে।
খামারি জানান, তার প্রায় সাড়ে ৩০০ হাঁস ডিম দিচ্ছিল। আগামী দুই মাসের মধ্যে আরও সাড়ে ৩০০ হাঁস ডিম দেওয়া শুরু করার কথা ছিল। এ ছাড়া প্রায় ৩০০ হাঁসের বয়স ছিল চার মাস। তার দাবি, বিষক্রিয়ায় সব হাঁস মারা গেছে। পরে হাওরের কয়েকটি স্থানে মরা হাঁসগুলো স্তূপ করে রাখা হয়।
হাঁসের মৃত্যুতে হাওরেই কান্নায় ভেঙে পড়েন আলাল উদ্দিন। মরা হাঁস বুকে নিয়ে তাকে কাঁদতে দেখা যায়। এ সময় প্রতিবেশী চারাবই গ্রামের হাঁসের খামারি বদই মিয়াসহ হাওরে থাকা লোকজন তাকে সান্ত্বনা দেন।
আলাল উদ্দিন বলেন, ‘তিন ছেলেমেয়ের লেখাপড়াসহ সংসারের যাবতীয় আয়-ব্যয় এই খামারের ওপর নির্ভরশীল ছিল। ভাতিজাদের প্রতিহিংসায় আজ আমি পথের ফকির। তারা আমার সাড়ে সাত লাখ টাকার হাঁস মেরে আমাকেই মেরে ফেলেছে।’
এ ঘটনায় আলাল উদ্দিনের স্ত্রী ফারহানা বেগম বাদী হয়ে বিয়ানীবাজার থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগে মিজান উদ্দিন ও রায়হান উদ্দিনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রায়হান উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। আমার চাচা যদি আমার ওপর অভিযোগ দেন, তাইন (তিনি) প্রমাণ দেন। আপনারা এলাকার সব দোকানে গিয়ে জিজ্ঞেস করে দেখেন, আমি কোনো দোকান থেকে বিষ আনছি কিনা। তাইন আমার চাচা হয়ে কেনে আমারে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলা, আমি কিচ্ছু বুঝতে পারছি না।’
এদিকে চারাবই গ্রামের খামারি বদই মিয়া দাবি করেন, হাঁস মারার সঙ্গে রায়হান ও মিজান জড়িত। তার ভাষ্য, রায়হান তাকে হাঁসগুলো বিষ দিয়ে মারার কথা বলেছিলেন। এ নিয়ে কথা বলার একপর্যায়ে রায়হান তার ওপর চড়াও হন। রায়হানের এলোপাতাড়ি ঘুষিতে তার নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়। পরে অন্যরা এগিয়ে এলে রায়হান ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে দাবি করেন বদই মিয়া।
বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জাফর মোহাম্মদ মাহফুজুল কবির বলেন, একটি অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকাল বিকেল পর্যন্ত পুলিশের তদন্ত দল ঘটনাস্থল থেকে থানায় ফেরেনি।
গত ৬ অক্টোবর সকালে উপজেলার কুড়ারবাজার ইউনিয়নের উত্তর আকাখাজানা এলাকার হাওরে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উত্তর আকাখাজানা গ্রামের আলাল উদ্দিন করোনা মহামারির সময় হাঁস পালন শুরু করেন। পেশায় অটোরিকশাচালক হলেও হাঁস পালন করে তিনি পুরোদস্তুর খামারি হয়ে ওঠেন। গত দুই বছর ধরে তার খামার থেকে প্রায়ই হাঁস চুরি হচ্ছিল। এ ঘটনায় তিনি তার ভাই হাফিজ তাজ উদ্দিনের দুই ছেলে মিজান উদ্দিন ও রায়হান উদ্দিনের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
আলাল উদ্দিনের দাবি, জিডি করার পর থেকেই মিজান ও রায়হান তাকে ক্ষতি করার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। মঙ্গলবার সকালে হাঁসগুলো হাওরে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই সেগুলো মারা যেতে শুরু করে।
খামারি জানান, তার প্রায় সাড়ে ৩০০ হাঁস ডিম দিচ্ছিল। আগামী দুই মাসের মধ্যে আরও সাড়ে ৩০০ হাঁস ডিম দেওয়া শুরু করার কথা ছিল। এ ছাড়া প্রায় ৩০০ হাঁসের বয়স ছিল চার মাস। তার দাবি, বিষক্রিয়ায় সব হাঁস মারা গেছে। পরে হাওরের কয়েকটি স্থানে মরা হাঁসগুলো স্তূপ করে রাখা হয়।
হাঁসের মৃত্যুতে হাওরেই কান্নায় ভেঙে পড়েন আলাল উদ্দিন। মরা হাঁস বুকে নিয়ে তাকে কাঁদতে দেখা যায়। এ সময় প্রতিবেশী চারাবই গ্রামের হাঁসের খামারি বদই মিয়াসহ হাওরে থাকা লোকজন তাকে সান্ত্বনা দেন।
আলাল উদ্দিন বলেন, ‘তিন ছেলেমেয়ের লেখাপড়াসহ সংসারের যাবতীয় আয়-ব্যয় এই খামারের ওপর নির্ভরশীল ছিল। ভাতিজাদের প্রতিহিংসায় আজ আমি পথের ফকির। তারা আমার সাড়ে সাত লাখ টাকার হাঁস মেরে আমাকেই মেরে ফেলেছে।’
এ ঘটনায় আলাল উদ্দিনের স্ত্রী ফারহানা বেগম বাদী হয়ে বিয়ানীবাজার থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগে মিজান উদ্দিন ও রায়হান উদ্দিনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রায়হান উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। আমার চাচা যদি আমার ওপর অভিযোগ দেন, তাইন (তিনি) প্রমাণ দেন। আপনারা এলাকার সব দোকানে গিয়ে জিজ্ঞেস করে দেখেন, আমি কোনো দোকান থেকে বিষ আনছি কিনা। তাইন আমার চাচা হয়ে কেনে আমারে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলা, আমি কিচ্ছু বুঝতে পারছি না।’
এদিকে চারাবই গ্রামের খামারি বদই মিয়া দাবি করেন, হাঁস মারার সঙ্গে রায়হান ও মিজান জড়িত। তার ভাষ্য, রায়হান তাকে হাঁসগুলো বিষ দিয়ে মারার কথা বলেছিলেন। এ নিয়ে কথা বলার একপর্যায়ে রায়হান তার ওপর চড়াও হন। রায়হানের এলোপাতাড়ি ঘুষিতে তার নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়। পরে অন্যরা এগিয়ে এলে রায়হান ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে দাবি করেন বদই মিয়া।
বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জাফর মোহাম্মদ মাহফুজুল কবির বলেন, একটি অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গতকাল বিকেল পর্যন্ত পুলিশের তদন্ত দল ঘটনাস্থল থেকে থানায় ফেরেনি।
অনলাইন ডেস্ক